ফি ও পেমেন্ট: মাসের হিসাব নিজে থেকেই চলে

ClassTablet একটি এজেন্টিক ক্লাসরুম ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যেখানে প্রতি মাসের ১ তারিখে প্রতিটি ফি-ওয়ালা ক্লাসরুমের শিক্ষার্থীর বিল নিজে থেকে তৈরি হয়। ১৫ তারিখে আর পরের মাসের ৫ তারিখে বকেয়াদের রিমাইন্ডার যায়। শিক্ষার্থী বিকাশ, নগদ, রকেট বা SSLCommerz দিয়ে দেয়, শিক্ষক দেখে অনুমোদন করেন।

কে দিল আর কে দিল না, সেই খাতা আর হোয়াটসঅ্যাপের স্ক্রিনশট মেলানোর কাজটা এখানে একটা তালিকায় চলে আসে। নিচে তিন ভাগে দেখুন: মাসিক বিল ও রিমাইন্ডার, টাকা নেওয়ার অ্যাকাউন্ট সেটআপ, আর শিক্ষার্থীর পেমেন্ট যাচাই।

এই অংশে যা আছে

সাধারণ প্রশ্ন

ClassTablet কি বিকাশ বা নগদে ফি নিতে পারে?

হ্যাঁ, দুইভাবে। আপনার প্রতিষ্ঠানের নিজের বিকাশ, নগদ বা রকেট নম্বরে শিক্ষার্থী টাকা পাঠিয়ে ট্রানজেকশন আইডি জমা দিতে পারে। অথবা SSLCommerz দিয়ে অনলাইনে দিতে পারে, যেখানে বিকাশ, নগদ, রকেট ও কার্ড সবই চলে।

অভিভাবকের স্মার্টফোন না থাকলে ফি রিমাইন্ডার কীভাবে যায়?

ফি-র রিমাইন্ডার এখন শিক্ষার্থীর অ্যাকাউন্টে যায়, অ্যাপের নোটিফিকেশন আর পুশ হিসেবে। অভিভাবকের ফোনে এসএমএস করে ফি-র রিমাইন্ডার পাঠানোর দাবি আমরা করি না, দরকার হলে সরাসরি জানান।

ফি ব্যবস্থাপনার জন্য আলাদা টাকা লাগে?

না। ফি ও পেমেন্টের এই অংশ সব প্ল্যানেই আছে। স্ট্যান্ডার্ড প্ল্যানে প্রতি শিক্ষার্থী মাসে ৳২০, আর স্টার্টার প্ল্যানে একটি ক্লাসরুম ও সর্বোচ্চ ২০ জন শিক্ষার্থী মাসে ৳৪৯৯। SSLCommerz-এ অনলাইন পেমেন্টে গেটওয়ে ফি কাটতে পারে।

শিক্ষার্থী ভুল ট্রানজেকশন আইডি দিলে কী হয়?

টাকা নিজে থেকে পরিশোধিত হয় না। শিক্ষক পেমেন্টটা দেখে অনুমোদন করেন, অথবা কারণ লিখে বাতিল করেন। বাতিল হলে শিক্ষার্থী কারণসহ নোটিফিকেশন পায় এবং আবার জমা দিতে পারে।

আপনার প্রতিষ্ঠানে কীভাবে কাজ করবে, দেখে নিন

একটি ডেমো বুক করুন, আমরা আপনার ক্লাস আর শিক্ষার্থীদের উদাহরণ ধরে দেখিয়ে দেব।

WhatsApp