ফি ও পেমেন্ট: মাসের হিসাব নিজে থেকেই চলে
ClassTablet একটি এজেন্টিক ক্লাসরুম ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যেখানে প্রতি মাসের ১ তারিখে প্রতিটি ফি-ওয়ালা ক্লাসরুমের শিক্ষার্থীর বিল নিজে থেকে তৈরি হয়। ১৫ তারিখে আর পরের মাসের ৫ তারিখে বকেয়াদের রিমাইন্ডার যায়। শিক্ষার্থী বিকাশ, নগদ, রকেট বা SSLCommerz দিয়ে দেয়, শিক্ষক দেখে অনুমোদন করেন।
কে দিল আর কে দিল না, সেই খাতা আর হোয়াটসঅ্যাপের স্ক্রিনশট মেলানোর কাজটা এখানে একটা তালিকায় চলে আসে। নিচে তিন ভাগে দেখুন: মাসিক বিল ও রিমাইন্ডার, টাকা নেওয়ার অ্যাকাউন্ট সেটআপ, আর শিক্ষার্থীর পেমেন্ট যাচাই।
এই অংশে যা আছে
- ক্লাসরুমের পেমেন্ট: জমা থেকে মাস শেষের হিসাব
শিক্ষার্থী ফি জমা দেয় ট্রানজেকশন আইডি আর রসিদের ছবিসহ, শিক্ষক যাচাই করেন, আর অ্যাডমিন এক পাতায় পুরো প্রতিষ্ঠানের মাসের পেমেন্ট দেখে একসঙ্গে আপডেট করেন।
- অনেক শিক্ষার্থীর পেমেন্ট একসঙ্গে আপডেট
- ক্লাসরুমের ফি জমা, ভুল দাবি ঢোকার আগেই আটকায়
- পেমেন্টের রসিদ থাকে পেমেন্টের সঙ্গেই
- প্রতিটি ব্যাচ আলাদা করে খুলতে হয় না
- কে দেয়নি তা আলাদা খাতায় খুঁজতে হয় না
- গত ছয় মাসে কী হয়েছিল তা মনে রাখতে হয় না
- ভুল নম্বরে টাকা চলে যাওয়া বন্ধ
- শিক্ষার্থীকে বেছে নিতে হয় না, ঠিকটাই খোলে
- পেমেন্ট পদ্ধতি: টাকা কোন নম্বরে আসবে, আপনি ঠিক করেন
প্রতিষ্ঠানের বিকাশ, নগদ বা রকেট নম্বর একবার যোগ করুন, শিক্ষার্থী ফি দেওয়ার সময় সেটাই দেখবে। কোনো ক্লাসরুম চাইলে আলাদা নম্বর বা SSLCommerz নিতে পারে।
- শিক্ষার্থী ফি: বিল, রিমাইন্ডার আর যাচাই এক জায়গায়
ক্লাসরুমে মাসিক ফি বসালে ClassTablet প্রতি মাসে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর বিল তোলে, বকেয়াদের মনে করায়, আর শিক্ষার্থীর জমা দেওয়া পেমেন্ট শিক্ষক যাচাই করেন।
- ফি নীতি: বকেয়ার নিয়ম আপনি ঠিক করেন, সিস্টেম মেনে চলে
মাসের ফি না দিলে শিক্ষার্থী কতদিন পর্যন্ত সব দেখতে পাবে, তারপর কী বন্ধ হবে, সেই নিয়ম প্রতিষ্ঠান একবার ঠিক করে দেয়। কোনো ক্লাসরুম চাইলে নিজের নিয়ম রাখে।
- টাকাটা কবে হাতে আসবে, সেটা জানা থাকুক
শিক্ষক নিজের জমা টাকা তোলার অনুরোধ করতে পারেন, আগের অনুরোধগুলোর কী হলো তা দেখতে পারেন আর টাকা কোথায় যাবে সেই অ্যাকাউন্টগুলোও দেখে নিতে পারেন।
- প্ল্যানের হিসাব নিজের হাতে থাকুক
আপনি কোন প্ল্যানে আছেন আর তার অবস্থা কী তা দেখে নিন, প্ল্যানের তালিকা মিলিয়ে নিন, প্ল্যান নিন, আর দরকার হলে বন্ধ করে দিন বা আবার চালু করুন।
- টাকার হিসাব কাগজে থাকুক
নিজের চালানগুলোর তালিকা দেখুন, একটি চালানের ভেতরে কী আছে খুলে দেখুন, আর পরিশোধ হয়ে যাওয়া চালানের রসিদের ফাইলটি নামিয়ে নিজের কাছে রেখে দিন।
- কোডটা সত্যিই কাজ করছে কি না
প্ল্যান নেওয়ার সময় হাতে থাকা প্রোমো কোডটি বসিয়ে যাচাই করে নিন, আর টাকা দেওয়ার আগেই একবার ছাড়টি মোট অঙ্কের সঙ্গে ভালো করে মিলিয়ে দেখে নিন।
- টিউশনের টাকার হিসাব খাতায় নয়
কোন কাজ থেকে কত আয় হলো, এখন কত টাকা হাতে তোলা যায় আর প্রতিষ্ঠান কত শতাংশ ভাগ দেবে, শিক্ষকের আয়ের হিসাবগুলো এই বিভাগে এক জায়গায় রাখা আছে।
সাধারণ প্রশ্ন
ClassTablet কি বিকাশ বা নগদে ফি নিতে পারে?
হ্যাঁ, দুইভাবে। আপনার প্রতিষ্ঠানের নিজের বিকাশ, নগদ বা রকেট নম্বরে শিক্ষার্থী টাকা পাঠিয়ে ট্রানজেকশন আইডি জমা দিতে পারে। অথবা SSLCommerz দিয়ে অনলাইনে দিতে পারে, যেখানে বিকাশ, নগদ, রকেট ও কার্ড সবই চলে।
অভিভাবকের স্মার্টফোন না থাকলে ফি রিমাইন্ডার কীভাবে যায়?
ফি-র রিমাইন্ডার এখন শিক্ষার্থীর অ্যাকাউন্টে যায়, অ্যাপের নোটিফিকেশন আর পুশ হিসেবে। অভিভাবকের ফোনে এসএমএস করে ফি-র রিমাইন্ডার পাঠানোর দাবি আমরা করি না, দরকার হলে সরাসরি জানান।
ফি ব্যবস্থাপনার জন্য আলাদা টাকা লাগে?
না। ফি ও পেমেন্টের এই অংশ সব প্ল্যানেই আছে। স্ট্যান্ডার্ড প্ল্যানে প্রতি শিক্ষার্থী মাসে ৳২০, আর স্টার্টার প্ল্যানে একটি ক্লাসরুম ও সর্বোচ্চ ২০ জন শিক্ষার্থী মাসে ৳৪৯৯। SSLCommerz-এ অনলাইন পেমেন্টে গেটওয়ে ফি কাটতে পারে।
শিক্ষার্থী ভুল ট্রানজেকশন আইডি দিলে কী হয়?
টাকা নিজে থেকে পরিশোধিত হয় না। শিক্ষক পেমেন্টটা দেখে অনুমোদন করেন, অথবা কারণ লিখে বাতিল করেন। বাতিল হলে শিক্ষার্থী কারণসহ নোটিফিকেশন পায় এবং আবার জমা দিতে পারে।
আপনার প্রতিষ্ঠানে কীভাবে কাজ করবে, দেখে নিন
একটি ডেমো বুক করুন, আমরা আপনার ক্লাস আর শিক্ষার্থীদের উদাহরণ ধরে দেখিয়ে দেব।