অনলাইন মূল্যায়ন আর গ্রেডিং, খাতা ছাড়াই
ClassTablet-এ শিক্ষক ক্লাসরুমে অ্যাসাইনমেন্ট আর অনলাইন কুইজ দেন। শিক্ষার্থী জমা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এমসিকিউ, চেকবক্স আর সত্য/মিথ্যা প্রশ্নের নম্বর হিসাব হয়ে যায়; যে উত্তরে হাতে নম্বর লাগবে, সেটি শিক্ষকের কাছে থাকে। কাগজের পরীক্ষার নম্বর গ্রেডবুকে তুলে অভিভাবককে এসএমএসে ফল পাঠানো যায়।
নিচে দুটি কাজের আলাদা পাতা আছে: অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া ও জমা নেওয়া, আর কুইজ বানানো। কোথাও এআই নম্বর দেয় না; নম্বর হয় আপনার দেওয়া উত্তর-চাবি দিয়ে বা আপনার হাতে।
এই অংশে যা আছে
- অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া আর জমা নেওয়া, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়াই
ক্লাসরুমে অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করলেই শিক্ষার্থীর কাছে নোটিফিকেশন যায়। শিক্ষার্থী লিখে, লিংক দিয়ে বা ফাইল তুলে জমা দেয়, দেরিতে জমা পড়লে তা আলাদা করে চিহ্নিত।
- টাইপ করার বদলে দুই মিনিট বলে দিন
- মুছে ফেলার আগে পর্দা বলে দেয় কী কী যাবে
- একই অ্যাসাইনমেন্ট দ্বিতীয় ব্যাচে দিতে আবার লিখবেন কেন
- একটা নোট মুছতে পুরো মূল্যায়ন নতুন করতে হয় না
- নির্দেশনা খুঁজতে পুরনো মেসেজ ঘাঁটতে হয় না
- একজন দেখে পরের জনে, তালিকায় ফেরার দরকার নেই
- কোনটা জমা দিতে বাকি, তালিকা দেখেই বোঝা যায়
- অ্যাসাইনমেন্ট লিখুন, রুব্রিক দিন, এক ক্লিকে প্রকাশ করুন
- শিক্ষার্থী অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেয় অ্যাপ থেকেই
- জমা দেখে রুব্রিক ধরে নম্বর দিন, সেভ নিয়ে ভাবতে হবে না
- গ্রেডবুক: পরীক্ষার নম্বর তোলা থেকে অভিভাবকের এসএমএস পর্যন্ত
লিখিত পরীক্ষার নম্বর তুলুন, কুইজ আর অ্যাসাইনমেন্টের নম্বর পাশে দেখুন, তারপর গ্রেডবুক থেকেই অভিভাবকের মোবাইলে এসএমএসে ফল পাঠান। খাতায় আলাদা রেজাল্ট শিট লাগে না।
- কুইজ শেষ, এবার দেখুন ক্লাসটা আসলে কোথায় দাঁড়িয়ে
প্রতিটি কুইজের নিজস্ব অ্যানালিটিক্স পাতা আছে, সেখানে মোট চেষ্টা, গড় নম্বর, পাসের হার, গড় সময় আর নাম ধরে প্রতিটি চেষ্টার ফল একসঙ্গে দেখা যায়।
- প্রতিবার নতুন করে প্রশ্ন না লিখে সংগ্রহ গড়ে তুলুন
কুইজের বাইরে আলাদা করে প্রশ্ন জমিয়ে রাখার জায়গা। প্রতিটি প্রশ্নের সঙ্গে কঠিনতা আর বিষয় রাখা যায়, আর তালিকায় শুধু আপনার নিজের প্রশ্নগুলোই দেখা যায়।
- অনলাইন কুইজ পরীক্ষা বানানো, প্রশ্ন টাইপ থেকে প্রকাশ পর্যন্ত
এমসিকিউ, চেকবক্স, সত্য/মিথ্যা বা সংক্ষিপ্ত উত্তর দিয়ে কুইজ বানান, এক্সেল থেকে প্রশ্ন তুলুন, সময় আর চেষ্টার সীমা দিন, তারপর এক বা একাধিক ব্যাচে প্রকাশ করুন।
- কুইজ প্রকাশ করুন, খবর নিজে থেকেই পৌঁছে যায়
- সহজ প্রশ্ন আগে, কঠিনগুলো পরে
- ভুল ব্যাচে কুইজ চলে গেলে সেটি ফিরিয়ে নেওয়া যায়
- কুইজ বন্ধ করুন, দেরিতে কেউ আর শুরু করতে পারবে না
- প্রতি ব্যাচে নতুন করে প্রশ্ন টাইপ করার দরকার নেই
- একই প্রশ্নপত্র কয়েক ব্যাচে, কপি না করেই
- ভুল ধরা পড়লে কুইজ খসড়ায় ফিরিয়ে ঠিক করে নিন
- শেষ হয়ে যাওয়া কুইজ মুছবেন না, আর্কাইভ করুন
- একটা ভুল প্রশ্নের জন্য পুরো কুইজ নতুন করে নয়
- কাজে লাগবে না এমন কুইজ তালিকায় রাখবেন না
- একই কুইজ কোন কোন ব্যাচে গেছে, এক ঘরেই দেখা
- শিক্ষার্থীর কাছে উত্তর যেন না যায়
- কুইজে প্রশ্ন যোগ করুন, সঠিক উত্তরসহ
- প্রশ্নব্যাংকের এক্সেল ফাইল থেকে সরাসরি কুইজে
- কুইজ বানান আর সাজান এক এডিটরে
- প্রশ্নে ভুল পেলে ঠিক করুন, ক্রমও বদলান
- কুইজের খাতা দেখা আর ফল প্রকাশ, কখন দেখাবেন আপনি ঠিক করেন
এমসিকিউ-র নম্বর নিজে থেকে হয়, সংক্ষিপ্ত উত্তর শিক্ষক দেখে নম্বর আর মন্তব্য দেন। সব দেখা শেষ হলে এক ক্লিকে ফল প্রকাশ, শিক্ষার্থী নোটিফিকেশন পায়।
- শিক্ষার্থীর অনলাইন কুইজ, নেট কাটলেও উত্তর থাকে
শিক্ষার্থী ফোন বা কম্পিউটারে কুইজ দেয়, উত্তর প্রতি ১৫ সেকেন্ডে সেভ হয়, নেট বা ব্রাউজার বন্ধ হলে আবার ঢুকে আগের জায়গা থেকে চালিয়ে যাওয়া যায়।
সাধারণ প্রশ্ন
কুইজের নম্বর কি নিজে থেকেই হয়?
হ্যাঁ, এমসিকিউ, চেকবক্স, সত্য/মিথ্যা আর যে সংক্ষিপ্ত উত্তরে আপনি সঠিক উত্তর লিখে রেখেছেন, সেগুলোর নম্বর জমা দেওয়ার মুহূর্তেই হয়। বাকি উত্তর আপনি নিজে দেখে নম্বর দেন।
কাগজে নেওয়া পরীক্ষার নম্বর কি রাখা যায়?
যায়। গ্রেডবুকে 'পরীক্ষা তৈরি' করে নাম, তারিখ আর পূর্ণ নম্বর দিন, তারপর প্রতিটি শিক্ষার্থীর নম্বর বসান। কুইজ আর অ্যাসাইনমেন্টের নম্বরও একই গ্রেডবুকে দেখায়।
অভিভাবক কীভাবে ফল জানবেন?
গ্রেডবুক থেকে শিক্ষক অভিভাবকের মোবাইলে ফলাফলের এসএমএস পাঠান, এক এক করে বা পুরো পরীক্ষার সবাইকে একসাথে। প্রতিটি এসএমএসে প্রতিষ্ঠানের এসএমএস ক্রেডিট খরচ হয়, অভিভাবকের স্মার্টফোন লাগে না।
এআই কি খাতা দেখে?
এই পাতার কোনো কাজে এআই নম্বর দেয় না। কুইজের নম্বর হয় আপনার দেওয়া উত্তর-চাবি মিলিয়ে, আর অ্যাসাইনমেন্ট ও লিখিত পরীক্ষার নম্বর দেন শিক্ষক নিজে।
আপনার প্রতিষ্ঠানে কীভাবে কাজ করবে, দেখে নিন
একটি ডেমো বুক করুন, আমরা আপনার ক্লাস আর শিক্ষার্থীদের উদাহরণ ধরে দেখিয়ে দেব।