স্মার্টফোন নেই এমন অভিভাবকও ফল জানবেন

গ্রেডবুকে কোনো শিক্ষার্থীর নম্বরের ঘরে গিয়ে তার অভিভাবককে ফলের এসএমএস পাঠানো যায়, আবার একটি পরীক্ষায় নম্বর পাওয়া সব শিক্ষার্থীর অভিভাবককে একসঙ্গেও পাঠানো যায়। বার্তায় নম্বরটি সরাসরি লিখে দেওয়া যায়, কিংবা খরচ কমাতে নম্বরের বদলে শুধু একটি ছোট লিংক পাঠানো যায়।

এখন কীভাবে হয়

বাংলাদেশে অনেক অভিভাবকের স্মার্টফোন নেই, তাই অ্যাপের নোটিশ তাদের কাছে পৌঁছায় না। কোচিং সেন্টার তখন ফল জানাতে একে একে ফোন করে, যাতে প্রতি ব্যাচে ঘণ্টাখানেক যায়, আর অনেক নম্বরে বারবার চেষ্টা করেও ধরা যায় না।

কীভাবে কাজ করে

  1. ১

    গ্রেডবুকে পরীক্ষাটি খুলুন

    ক্লাসরুমের গ্রেডবুক ট্যাবে যে পরীক্ষার ফল পাঠাবেন সেটি খুলুন। নম্বর দেওয়া হয়ে গেলে তবেই এসএমএস পাঠানোর ব্যবস্থা কাজে লাগে।

  2. ২

    একজন নাকি সবাই, ঠিক করুন

    একজনের ঘর থেকে শুধু তার অভিভাবককে পাঠানো যায়, আর 'সবাইকে পাঠান' দিয়ে ওই পরীক্ষায় নম্বর পাওয়া সব শিক্ষার্থীর অভিভাবকের কাছে একসঙ্গে যায়।

  3. ৩

    বার্তার ধরন বাছুন

    নম্বর সরাসরি বার্তায় লিখে দেওয়া যায়, কিংবা শুধু একটি লিংক পাঠানো যায়। লিংকের বার্তা ছোট হয়, তাই খরচ কম পড়ে।

  4. ৪

    খরচ দেখে পাঠান

    পাঠানোর আগে কত ক্রেডিট আর কত টাকা লাগবে পর্দায় দেখানো হয়। বাংলা বার্তায় প্রতি এসএমএসে ৭০ অক্ষর ধরা হয়, তাই হিসাবটা আগেই দেখে নেওয়া যায়।

কী নিজে থেকে হয়, কী আপনার হাতে থাকে

যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে হয়

আগে যাদের কাছে এই ফল পাঠানো হয়েছে তাদের বাদ দিয়ে বাকিদের কাছে পাঠানো হয়, আর শেষে কতগুলো গেল, কতগুলো আগেই গিয়েছিল আর কতগুলো ব্যর্থ হলো তা জানানো হয়।

যা আপনার নিয়ন্ত্রণে

কোন পরীক্ষার ফল, কোন ধরনের বার্তায় আর কার কাছে যাবে, সবই শিক্ষক বা অ্যাডমিন দেখে নিশ্চিত করেন।

দেখতে কেমন

নমুনা পর্দা: ফলের এসএমএস লেখার ঘর, নিচে ক্রেডিট আর টাকার হিসাব।

কারা ব্যবহার করেন

ব্যবহারকারী:
শিক্ষক
অ্যাডমিন
প্রতিষ্ঠানের ধরন:
কোচিং সেন্টার
স্কুল
কলেজ
প্রাইভেট টিউটর

কোন প্ল্যানে পাওয়া যায়

  • স্টার্টারমাসে ৳৪৯৯, একটি ক্লাসরুম
  • স্ট্যান্ডার্ডপ্রতি শিক্ষার্থী মাসে ৳২০
  • কাস্টমআলোচনা সাপেক্ষ

সাধারণ প্রশ্ন

একই ফল কি দুবার চলে যেতে পারে?

না। আগেই যাদের কাছে গিয়েছিল তাদের বাদ দেওয়া হয়, আর শেষে কতজনকে বাদ দেওয়া হলো তা জানিয়ে দেওয়া হয়। নতুন কিছু না থাকলে তাও বলা হয়।

লিংকের বার্তা সস্তা কেন?

নম্বর আর বিষয়ের নাম লিখলে বার্তা লম্বা হয়ে একাধিক এসএমএসে ভাগ হয়ে যায়। ছোট লিংক পাঠালে সাধারণত একটি এসএমএসেই কাজ হয়।

বাংলা বার্তায় খরচ বেশি কেন?

বাংলা লেখায় প্রতি এসএমএসে ৭০ অক্ষর ধরা হয়, ইংরেজির তুলনায় কম। তাই একই কথা বাংলায় লিখলে বেশি এসএমএসে ভাগ হতে পারে, পর্দায় সেটিও দেখানো হয়।

এসএমএস ক্রেডিট কোথা থেকে আসে?

প্রতিষ্ঠানের এসএমএস ক্রেডিট থেকে কাটা হয়, যা আগে থেকে কিনে রাখতে হয়। পাঠানোর আগে আনুমানিক খরচ দেখে নেওয়া যায়।

আপনার প্রতিষ্ঠানে কীভাবে কাজ করবে, দেখে নিন

একটি ডেমো বুক করুন, আমরা আপনার ক্লাস আর শিক্ষার্থীদের উদাহরণ ধরে দেখিয়ে দেব।

WhatsApp