ClassTablet বনাম নগদ ফি, রসিদ বই আর ফোনে তাগাদা
সর্বশেষ হালনাগাদ:
অল্প শিক্ষার্থী, সবাই নগদে দেয় আর আপনি নিজেই টাকা নেন, তাহলে রসিদ বই যথেষ্ট। অনেক ব্যাচ, একাধিক শিক্ষক বা অফিসে টাকা জমা হলে ClassTablet ভালো: মাসের বিল নিজে তৈরি হয়, বকেয়ার বার্তা নিজে যায়, আর শিক্ষার্থী চাইলে এসএসএলকমার্জ দিয়ে বিকাশ, নগদ বা কার্ডে ফি দিতে পারে।
কোচিং সেন্টার আর অনেক স্কুলে মাসের ফি এখনও নগদে আসে। অফিসে রসিদ বই, খাতায় কে দিল কে দিল না, আর মাসের মাঝামাঝি থেকে অভিভাবকদের ফোন করে তাগাদা। কাজটা চলে, কিন্তু সময় খায়, আর রসিদ বই হারালে হিসাবও হারায়।
কাজ ধরে ClassTablet আর হাতে ফি আদায়-এর তুলনা
| কাজ | ClassTablet | হাতে ফি আদায় |
|---|---|---|
| মাসের ফির বিল তৈরি | হ্যাঁপ্রতি মাসের ১ তারিখে প্রতিটি ক্লাসরুমের শিক্ষার্থীদের বিল নিজে থেকে তৈরি হয়। | আংশিকখাতায় নতুন মাসের ঘর হাতে টানতে হয়। |
| বকেয়ার তাগাদা দেওয়া | হ্যাঁ১৫ তারিখে যার বাকি আর পরের মাসের ৫ তারিখে যার বকেয়া, সেই শিক্ষার্থী ইনবক্স ও পুশে বার্তা পায়। | নাঅফিসের কাউকে তালিকা ধরে ফোন করতে হয়। |
| অনলাইনে ফি নেওয়া | হ্যাঁঅনলাইন পেমেন্ট চালু থাকলে শিক্ষার্থী এসএসএলকমার্জ দিয়ে বিকাশ, নগদ, রকেট বা কার্ডে মাসের ফি দেয়। একই মাস দুবার গেটওয়েতে দেওয়া যায় না। | নাটাকা হাতে বা ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে আসে, পরে মিলাতে হয়। |
| নিজের বিকাশ নম্বরে নেওয়া টাকা মেলানো | হ্যাঁপ্রতিষ্ঠানের পেমেন্ট নম্বর আর কিউআর কোড দেখানো যায়। শিক্ষার্থী রসিদের ছবি দিয়ে জমা দেয়, শিক্ষক অনুমোদন, বাতিল বা পর্যালোচনায় রাখেন। | আংশিকস্ক্রিনশট আসে মেসেঞ্জারে, খাতার সাথে হাতে মেলাতে হয়। |
| কার বকেয়া, এক নজরে দেখা | হ্যাঁক্লাসরুম ধরে বকেয়া তালিকা আর পুরো প্রতিষ্ঠানের সব পেমেন্ট এক পাতায় দেখা যায়। | আংশিকখাতা উল্টে গুনতে হয়, একাধিক খাতা হলে আরও কঠিন। |
| শিক্ষার্থী নিজের বকেয়া দেখা | হ্যাঁশিক্ষার্থী নিজের অ্যাকাউন্টে কোন মাসের ফি বাকি তা দেখে। | নাজানতে হলে অফিসে এসে বা ফোন করে জিজ্ঞেস করতে হয়। |
| নগদ টাকা নেওয়া | আংশিকনগদ নিলে শিক্ষক বা অ্যাডমিন হাতে পেমেন্টের অবস্থা বদলে দেন, টাকা ClassTablet ছোঁয় না। | হ্যাঁনগদ নিয়ে রসিদ কেটে দেওয়াই এই পদ্ধতির মূল। |
ClassTablet নিজে থেকে যা করে
স্বয়ংক্রিয়
মাসের বিল
প্রতি মাসের ১ তারিখ সকালে ClassTablet প্রতিটি চালু ক্লাসরুমের শিক্ষার্থীদের জন্য সেই মাসের বিল তৈরি করে। কত টাকা, তা ক্লাসরুমের ফি থেকেই নেওয়া হয়।
স্বয়ংক্রিয়
বাকি আর বকেয়ার বার্তা
১৫ তারিখে বিল বাকি থাকলে শিক্ষার্থী মনে করানো বার্তা পায়, পরের মাসের ৫ তারিখেও বাকি থাকলে বকেয়ার বার্তা পায়, ইনবক্স আর পুশ নোটিফিকেশনে।
স্বয়ংক্রিয়
অনলাইন পেমেন্টের হিসাব
এসএসএলকমার্জ পেমেন্ট নিশ্চিত করলে সেই মাসের পেমেন্ট নিজে থেকেই পরিশোধিত হিসেবে ওঠে, আর আটকে থাকা লেনদেন নিয়মিত আবার মিলিয়ে দেখা হয়। কাউকে স্ক্রিনশট মেলাতে হয় না।
কখন হাতে ফি আদায় দিয়েই চলে
রসিদ বই আর নগদ আদায়ই যথেষ্ট, যখন:
- শিক্ষার্থী অল্প, আর সবাই মাসের শুরুতে নিজে এসে টাকা দেয়।
- টাকা আপনি নিজেই নেন, অন্য কাউকে হিসাব বুঝিয়ে দিতে হয় না।
- বকেয়া খুব কম, তাই তাগাদার কাজ প্রায় নেই।
- অভিভাবকরা অনলাইনে টাকা দিতে চান না।
কীভাবে সরে আসবেন
- ১
ক্লাসরুমের ফি ঠিক করুন
প্রতিটি ক্লাসরুমের মাসিক ফি বসিয়ে দিন। পরের মাসের ১ তারিখ থেকে বিল নিজে থেকে তৈরি হবে, চাইলে শিক্ষক হাতে বিলও তৈরি করতে পারেন।
- ২
কীভাবে টাকা নেবেন, বেছে নিন
অ্যাডমিন ঠিক করেন অনলাইন গেটওয়ে চালু থাকবে, নাকি প্রতিষ্ঠানের বিকাশ বা ব্যাংক নম্বরে টাকা নিয়ে রসিদ যাচাই হবে। ক্লাসরুম ধরে আলাদা নিয়মও রাখা যায়।
- ৩
চলতি মাসের বকেয়া তুলুন
রসিদ বই দেখে যারা এই মাসে দিয়েছে তাদের পেমেন্ট হাতে পরিশোধিত করে দিন, একসাথে অনেকেরটা বদলানো যায়। বাকিরা নিজে থেকে বার্তা পাবে।
সাধারণ প্রশ্ন
বিকাশ বা নগদে কি সরাসরি ফি নেওয়া যায়?
অনলাইন পেমেন্ট চালু থাকলে শিক্ষার্থী এসএসএলকমার্জের পেমেন্ট পাতায় যায়, সেখানে বিকাশ, নগদ, রকেট বা কার্ড বেছে নেয়। না চাইলে প্রতিষ্ঠানের নিজের নম্বরে টাকা নিয়ে রসিদ যাচাই করতে পারেন।
অনলাইন পেমেন্টে কি বাড়তি খরচ আছে?
গেটওয়ের একটি ফি আছে। প্রতিষ্ঠানের সেটিং অনুযায়ী এই ফি হয় শিক্ষার্থীর পেমেন্টের সাথে যোগ হয়, নয়তো প্রতিষ্ঠান বহন করে। হার জানতে আমাদের সাথে কথা বলুন।
বকেয়ার বার্তা কি অভিভাবকের ফোনে এসএমএসে যায়?
স্বয়ংক্রিয় বার্তা শিক্ষার্থীর ClassTablet ইনবক্স আর পুশ নোটিফিকেশনে যায়। অভিভাবকদের এসএমএস পাঠাতে চাইলে অ্যাডমিন নিজে পাঠাতে পারেন, এসএমএস ক্রেডিট আলাদা।
নগদ টাকা নিলে কী করব?
নগদ নেওয়ার পর শিক্ষক বা অ্যাডমিন সেই শিক্ষার্থীর পেমেন্ট হাতে পরিশোধিত করে দেন। তাহলে বকেয়া তালিকা ঠিক থাকে আর সেই শিক্ষার্থী আর তাগাদার বার্তা পায় না।