প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু, অ্যাকাউন্টে শেষ

শিক্ষার্থী, শিক্ষক আর অভিভাবক সবাই প্রথমে নিজের প্রতিষ্ঠানটি খুঁজে নেন, তারপর প্রতিষ্ঠানের দেওয়া আইডি দিয়ে নিজের পরিচয় মেলান। এরপর ফোনে আসা কোড দিয়ে যাচাই হয় আর প্রথমবারের পাসওয়ার্ড বসানো হয়। একেবারে শেষ ধাপে ভূমিকা অনুযায়ী বাকি দরকারি তথ্যগুলো নেওয়া হয়।

নিচের পাতাগুলোতে অ্যাকাউন্টে ঢোকার ধাপগুলো আলাদা করে বলা আছে: প্রতিষ্ঠান খোঁজা, পরিচয় মেলানো, কোড যাচাই, পাসওয়ার্ড বসানো আর ভূমিকা অনুযায়ী সেটআপ শেষ করা।

এই অংশের ফিচার

  • কোড ঠিক আছে কি না, আগেই জানুন

    ফোনে পাঠানো কোডটি লিখে দিন, আর পাসওয়ার্ড বসানোর ধাপে যাওয়ার আগেই জেনে নিন সেটি ঠিক আছে কি না। এখানে যাচাই করে নিলে কোডটি খরচ হয়ে যায় না।

  • পাসওয়ার্ড বসালেন, ভেতরেও ঢুকে গেলেন

    ফোনে আসা কোডটি দিয়ে নিজের প্রথমবারের পাসওয়ার্ডটি বসিয়ে নিন। কাজটি শেষ হলে আলাদা করে আর ঢোকার দরকারই হয় না, সরাসরি ভেতরে ঢুকে যেতে পারেন।

  • সন্তানকে এখনই যুক্ত না করলেও চলবে

    ভূমিকা হিসেবে অভিভাবক বেছে নিলেই অভিভাবকের তথ্যটি তৈরি হয়ে যায়। সন্তানকে যুক্ত করার ধাপটি তখনই আসে, তবে সেটি চাইলে পরেও সেরে নেওয়া যেতে পারে।

  • কোডটা যায় সেই নম্বরেই, খুদে বার্তায়

    প্রতিষ্ঠানের খাতায় আপনার যে ফোন নম্বরটি আছে, ঠিক সেখানেই ছয় অঙ্কের কোডটি খুদে বার্তায় চলে যায়। কোনো অ্যাপ লাগে না, ইন্টারনেট সংযোগও লাগে না।

  • ঠিক প্রতিষ্ঠানটিতে ঢুকছেন তো

    নাম লিখে বা ইআইআইএন নম্বর দিয়ে নিজের স্কুল, কলেজ কিংবা কোচিং সেন্টারটিকে খুঁজে বের করে নিন, তারপর সেখান থেকেই অ্যাকাউন্টে ঢোকার ধাপ শুরু করুন।

  • দ্বিতীয়বার থেকে আর কোড লাগে না

    যাঁদের পাসওয়ার্ড একবার বসানো হয়ে গেছে, তাঁরা প্রতিষ্ঠান আর নিজের আইডিটি দিয়ে পরিচয় মিলিয়ে নিয়ে সরাসরি পাসওয়ার্ড দিয়েই ভেতরে ঢুকে যান।

  • শেষ কয়েকটি ঘর, তারপর ক্লাসে

    শিক্ষার্থী নিজের কয়েকটি তথ্য দিয়ে সেটআপটি শেষ করেন: লিঙ্গ, জন্মতারিখ আর তিনি এখন কোন ক্লাসে পড়ছেন। এরপর অ্যাকাউন্টটি পুরোপুরি চালু হয়ে যায়।

  • শিক্ষক হিসেবে শুরু করার দুটি ধাপ

    ভূমিকা হিসেবে শিক্ষক বেছে নিলেই শিক্ষকের তথ্যটি সঙ্গে সঙ্গে তৈরি হয়ে যায়। এরপর চাইলে গুগল যুক্ত করা যায়, না করলেও সেটআপ শেষ করতে অসুবিধা হয় না।

  • রোল নম্বরটাই আপনার পরিচয়

    প্রতিষ্ঠান যে আইডিটি আপনাকে দিয়েছে, সেটি রোল নম্বর হোক বা কর্মীর আইডি, তা দিয়েই পরিচয় মেলানো হয়। আলাদা করে কোনো ব্যবহারকারী নাম মনে রাখতে হয় না।

সাধারণ প্রশ্ন

ইমেইল ছাড়া অ্যাকাউন্টে ঢোকা যায়?

যায়। প্রতিষ্ঠানের দেওয়া আইডি দিয়ে পরিচয় মেলানো হয় আর যাচাইয়ের কোডটি যায় ফোনে, তাই ইমেইল ছাড়াই পুরো ধাপটি শেষ করা যায়।

সব প্রতিষ্ঠানের নাম কি খোঁজায় আসে?

না। যেসব প্রতিষ্ঠান এই পথে ঢোকার ব্যবস্থা চালু করেছে, কেবল তাদের নামই খোঁজার তালিকায় আসে।

আগে থেকেই পাসওয়ার্ড থাকলে কী হয়?

তখন পাসওয়ার্ড দিয়েই ঢোকা যায়। পরিচয় মেলানোর ধাপেই জানা যায় আপনার পাসওয়ার্ড আছে কি না।

আপনার প্রতিষ্ঠানে কীভাবে কাজ করবে, দেখে নিন

একটি ডেমো বুক করুন, আমরা আপনার ক্লাস আর শিক্ষার্থীদের উদাহরণ ধরে দেখিয়ে দেব।

WhatsApp